এলোপেসিয়া এরিয়েটা ; হঠাৎ চুল পড়া

Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInEmail this to someonePin on Pinterest

চুলপড়া সমস্যার মধ্যে এলোপেসিয়া এরিয়েটা অন্যতম একটি। হঠাৎ সকালে একদিন দেখা গেল মাথার, গোপের, অথবা শরীরের অন্যান্য অংশের চুল খানিকটা নেই। বেশ একটা ডিম্বাকৃতি অংশে একেবারেই চুল নেই। এমন ক্ষেত্রে অর্থাৎ এলোপেথিয়া এরিয়েটার ক্ষেত্রে চুল গজানোর একমাত্র মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হেয়ার ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মাথার অথবা শরীরের এক বা একাধিক অংশের চুল ঝরে পড়ে। এলোপেসিয়া এরিয়েটার ক্ষেত্রে মাথায় সব চুল ঝরে পড়েনা। সাধারণত কিশোর বয়সে এলোপেসিয়া এরিয়েটা বেশী হয়। তবে যেকোন বয়সে হতে পারে। এলোপেসিয়া এরিয়েটা এক ধরনের অটো ইম্যিউন ডিজিজ। এর কারণ সাধারণতঃ অজ্ঞাত। তবে বিশেষজ্ঞদের মত সাধারণভাবে ইম্যিউন সিস্টেম শরীরের রোগ প্রতিরোধ করে। কিন্তু অটোইম্যিউন রোগ হলে শরীরের কিছু অংশ নিজেরাই আক্রান্ত করে ফেলে। এলোপেসিয়া এরিয়েটার ক্ষেত্রে ইম্যিউন সিস্টেম হেয়ার ফলিকলকে আক্রান্ত করে। ফলে চুল ঝরে পড়ে। এলোপেশিয়া এরিয়েটার চিকিৎসায় বেশীরভাগ ক্ষেত্রে চুল নতুন করে গজায়। তবে কখন চুল পড়ে যায় এবং কখন চুল গজায় তা সঠিকভাবে বলা যায় না। এ ছাড়া মাথার যে স্থানে চুল পড়ে সেস্থানে নতুন করে চুল গজালেও অন্য স্থানেও একই রকম চুল বাড়তে পারে। চিকিৎসাঃ এলোপেসিয়া এরিয়েটার চিকিৎসা ক্ষেত্রে নানান পদ্ধতি রয়েছে। তম্মধ্যে কটিকোস্টেরয়েড অন্যতম। আমেরিকার বিভিন্ন হাসপাতালে এলিপেসিয়া এরিয়েটার চিকিৎসায় প্রধানতঃ কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন (সেনালগ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে আমেরিকান ডার্মালাইস্টগণ ‘কেনালগ’ ইনজেকশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকেন। এই পদ্ধতিতে চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে মাথার চুলপড়া স্থানে নতুন করে চুল গজায়। শুধু ইনজেকশন নয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্টিকোস্টেরওয়েড খাবার বড়ি এবং ক্রিম ব্যবহার করা হয়। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে-চুলপড়া সমস্যার ক্ষেত্রে শতকরা ১০০ ভাগ সাফল্য কেউ দাবি করতে পারে না। তবে কিছু কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে চুলপড়া সহনীয় মাত্রায় রাখা যায়। এমনকি নতুন চুল গজাতে সহায়ক।

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of

wpDiscuz